0

স্বাধীনতার পর প্রথম ৩২৪ ধারা প্রয়োগ, মমতার রাজ্যে ‘কড়া’ হল নির্বাচন কমিশন | First time EC decreases the time of campaigning to apply 324 section


West Bengal

oi-Sanjay Ghoshal

স্বাধীনতার পর এই প্রথম প্রয়োগ করা হল ৩২৪ ধারা। এর আগে কোনও রাজ্যে কোনও নির্বাচনে এই ধারা প্রয়োগ করা হয়নি। বাংলাতেই প্রথম প্রয়োগ করা হল। কমিয়ে দেওয়া হল প্রচারের সময়। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রচারই পুরো একদিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে শুক্রবারের পরিবর্তে বৃহস্পতিবারের পরই প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর প্রথম ৩২৪ ধারা মমতার রাজ্যে, ‘কড়া’ কমিশন

নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে রাজ্যের সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনার জেরেই এই সিদ্ধান্ত। এই ঘটনা রাজ্যের পক্ষে অপমানের। আবার এই সিদ্ধান্ত বিতর্কিতও। রাজ্যের পরিস্থিতি কি আদৌ সেইরকম, যাতে ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করতে হল! নাকি বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।

শুধু ভোট প্রচারের সময়সীমা কমিয়ে দেওয়াই নয়, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাজীবকুমারকে রাজ্যের এডিজি সিআইডির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারিত করে দিল্লিতে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

সম্প্রতি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব দুটি চিঠি দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। তারপর সেই অত্রি ভট্টাচার্যকেই সরিয়ে দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর অভিযোগের জেরেই তাঁকে পদ থেকে অপসারিত করা হল বলে একাংশের দাবি।

আবার একাংশের দাবি, বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে নির্বাচন কমিশন। একদিন আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেছিলেন, নির্বাচন কমিশন চাইলে সরিয়ে দিতে পারে রাজ্যের কোনও পদাধিকারীকে। কাকতালীয়ভাবে তারপরই সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবকে। সরিয়ে দেওয়া হল এডিজি সিআইডি রাজীবকুমারকে।

আগেও বিজেপি নেতার মুকুল রায়ের কথায় এসপি বদল করা হয়েছিল কোচবিহারে। এছাড়াও আরও রদবদল হয়েছে, যা দাবি করেছে বিজেপি। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদের অভিযোগগুলিকে কোনও আমলই দিচ্ছে না। রাজ্যে যে এত টাকা উদ্ধার হল বিজেপি প্রার্থী, নেতাদের গাড়ি থেকে, সে ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন নিশ্চুপ।

এদিন আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি বলে বর্ণনা করেছিলেন, তারপরই ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করল কমিশন। এইসব ঘটনা প্রমাণ করছে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই চলছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।

lok-sabha-home



Source link

amulyam.ooo

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *